
শচীন্দ্র নাথ মন্ডল দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
বাল্যবিবাহ শুধু মায়ের স্বাস্থ্যই নয় বরং শিশুর স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি স্বরূপ। বাল্যবিবাহ একটি মেয়ের জীবনের সব স্বপ্নকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দেয়। ১৮ বছরের নিচে একটি মেয়ের বিয়ে দেওয়া মানে তার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সুন্দর ভবিষ্যতের অধিকার কেড়ে নেওয়া। বাল্যবিবাহ কেবল একটি মেয়ের ক্ষতি করে না, এটি একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। অপরিণত বয়সে মা হওয়ার কারণে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ে, যা মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেয়।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে খুলনার দাকোপ উপজেলায় আয়োজিত নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ হুরে জান্নাত এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, খুলনার যৌথ আয়োজনে সরকার ঘোষিত মডেল গ্রাম পানখালী মমতাজ বেগম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দিন মিঠু।খুলনা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সুরাইয়া সিদ্দিকার সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার উপপরিচালক আরিফুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেক্সোনা আক্তার, দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি শামিম হোসেন, এসডিজি ভিলেজ সমন্বয়কারী মো. মনোয়ার হোসেন, পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহমেদ। বক্তৃতা করেন তৃনমূলের নারী প্রতিনিধি রেখা বেগম, রুবিয়া খাতুন, সুইটি দাস, বিলকিস বেগম, মনিরা বেগম ও মোস্তাক ফকির প্রমুখ। উঠান বৈঠক শেষে জেলা প্রশাসক চালনা এনসি ব্লু বার্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চালনা পৌরসভা, খাটাইল কমিউিনিটি ক্লিনিক, উপজেলা ভূমি অফিস, পানখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পানখালী জেলে পল্লী, বটবুনিয়া খাল পুনঃখনন, বারইখালী আশ্রয়ণ প্রকল্প, বানীশান্তা যৌনপল্লী পরিদর্শন করেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় পরিদর্শন এবং সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।
